Viral Video: কচিকাচাদের সঙ্গে পুলে সাঁতার কাটছে বিশালাকার পাইথন, ভয়ে বড়দের হাত-পা ঠান্ডা!

By | April 9, 2022


ভাইরাল ভিডিয়ো থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট।

পৃথিবীর সবথেকে ভয়ঙ্কর প্রাণী কি? তালিকায় থাকতে পারে অনেক নামই। কিন্তু হুট করে একটা সাপ দেখে মানুষ যে ভাবে আঁতকে ওঠেন, তা সম্ভবত অন্য কোনও প্রাণীর ক্ষেত্রে হয় না। আর তাই তো সাপ পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক প্রাণীগুলির মধ্যে একটি। বেশির ভাগ মানুষই সাপ দেখে আঁতকে ওঠেন। পৃথিবীতে প্রায় ২০০০-এরও বেশি প্রজাতির সাপ রয়েছে। তাদের মধ্যে খুবই খতরনাক সাপের মধ্যে রয়েছে কিং কোবরা, পাইথন ইত্যাদি। একটা দৈত্যাকার অজগর যদি কাউকে ধরে, হাড়-পাঁজর পর্যন্ত ভেঙে দিতে পারে সে। এবার একটা পাইথন (Python) সাপকে দেখা গেল সুইমিং পুলে (Swimming Pool) সাঁতার কাটতে। আর তার সঙ্গে ছিল কিছু কচিকাচা। তাদের সঙ্গেই বিশালাকার সাপটি আরামসে সাঁতার কাটলে একটি সুইমিং পুলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিয়ো ব্যাপক ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে।

ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, একটি সুইমিং পুলে সাঁতার কাটছে বাচ্চারা। এমনই সময়ে সেই পুলে একটি বিশালাকার পাইথন সাপকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেও সাঁতার কাটতে থাকে। কিন্ত তাতে বাচ্চাদের মধ্যে কোনও রকম ভয়ের বাতাবরণ লক্ষ্য করা যায়নি। ঠিক যেন ওই সাপের সঙ্গে খেলছিল বাচ্চারা।

ভিডিয়োটির সবথেকে আশ্চর্যজনক দিক এখানেই, যে কারণে সবথেকে বেশি অবাক হয়েছেন নেটপাড়ার লোকজন। সাপটি সুইমিং পুলে ভেসে রয়েছে। আর তার সঙ্গে স্বানন্দে সাঁতার কাটছে এবং খেলাধূলা করছে ও বাচ্চাগুলো।

ইনস্টাগ্রামে এই ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছে rhmsuwaidi নামক একটি পেজ থেকে। মাত্র ১৩ সেকেন্ডের এই ভিডিয়োটি ইন্টারনেটে রীতিমতো আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। এখনও পর্যন্ত এই ভিডিয়োর ভিউ ২ লাখেরও বেশি ছাপিয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, শিশুদের বাবা-মাও সেখানে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছেন। তবে বিশালাকার এই অজগরটি বাচ্চাদের সঙ্গে ক্ষতিকারক কিছু করেনি। কারণ তাদের প্রত্যেকেই একপ্রকার খেলার ছলে ছিল। তারা মোটেও ভয় পায়নি।

আরও পড়ুন: মহাশূন্যে দড়ির উপরে হেঁটে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, ভিডিয়ো দেখে চক্ষু চড়কগাছ নেটিজেনদের!

আরও পড়ুন: মা হবে পোষ্য, হরেক পদের আয়োজন, টিপ-মালায় সেজে জাঁকজমক সাধভক্ষণ অনুষ্ঠান

আরও পড়ুন: জুতো পালিশের ফাঁকেই রেল স্টেশনে পথকুকুরকে ঘুম পাড়ানো, চলছে খুনসুটিও, রাতারাতি নেটাগরিকদের ‘মনের মানুষ’ হয়ে উঠলেন ইনি!





Source link