Smriti Irani: ‘গদ্দারের পাশে আর কতদিন?’, কেজরীবালের দিকে ১০ প্রশ্নবাণ ছুড়লেন স্মৃতি ইরানি

By | June 1, 2022


কেজরীবালকে ১০ প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির

Smriti Irani attacks Arvind Kejriwal: দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের গ্রেফতারি নিয়ে মঙ্গলবার, আম আদমি পার্টি প্রধান অরবিন্দ কেজরীবালকে কে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। সত্যেন্দ্র জৈনকে তিনি ‘দেশের গদ্দার’ বলেছেন।

নয়া দিল্লি: দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের গ্রেফতারি নিয়ে মঙ্গলবার, আম আদমি পার্টিকে তীব্র আক্রমণ করল বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, সত্যেন্দ্র জৈনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে অভিযুক্ত করেন। তিনি দাবি করেন, অরবিন্দ কেজরীবাল ‘দেশকে গদ্দার’-এর যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন, সেই সংজ্ঞা মেনেই সত্যেন্দ্র জৈনও দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। দেশের সম্পদ লুন্ঠন করেছেন। এখন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজেই অর্থ পাচারের দায়ে অভিযুক্ত আপ নেতাকে সুরক্ষা দিচ্ছেন। এদিন বিজেপি দলের পক্ষ থেকে স্মৃতি ইরানি আপ প্রধানের প্রতি ১০টি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন। কী সেগুলি? আসুন দেখে নেওয়া যাক –

১. ৫৬টি ভুয়ো সংস্থার মালিক বা নিয়ন্ত্রক ছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন এবং তাঁর পরিবার-পরিজন। ২০১০-১১ সাল থেকে ২০১৫-১৬ সালের মধ্যে এই ভুয়ো সংস্থাগুলি ব্যবহার করে এবং কলকাতার পরিচিত হাওয়ালা অপারেটরদের সহায়তায় তাঁরা ১৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার অবৈধ উপার্জন করেছিলেন। এই তথ্য কি সত্যি?

২. এটা কি সত্যি, যে সত্যেন্দ্র জৈন ২০১৬ সালে ইনকাম ডিসক্লোসার স্কিমের আওতায় নিজেই জানিয়েছিলেন যে এই অঘোষিত ১৬কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার মালিক তাঁর ঘনিষ্ঠ অঙুকুশ জৈন এবং বৈভব জৈন।

৩. ইনকাম ট্যাক্সের প্রিন্সিপাল কমিশনার জানিয়েছিলেন, ১৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার অঘোষিত উপার্জন অঙ্কুশ জৈন এবং বৈভব জৈনের নয়। এই অবৈধ উপার্জন ছিল সত্যেন্দ্র জৈনের। এই তথ্য় কি সত্যি?

৪. ২১.০৮.২০১৯ তারিখে দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ইনকাম ট্যাক্সের প্রিন্সিপাল কমিশনারের বক্তব্যকে নিশ্চিত করেছিলেন। আদালত বলেছিল ১৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার কর ফাঁকি দিয়েছেন সত্যেন্দ্র জৈনই। এটা কি সত্যি নয়? কেজরীবালের কাছে কি আদালতের আদশের প্রতিলিপি নেই?

৫. ইন্দো মেটাল ইমপেক্স প্রাইভেট লিমিটেড, অ্য়াকিঞ্চন ডেভেলপার্স প্রাইভেট লিমিটেড, প্রয়াস ইনফো সলিউশনস প্রাইভেট লিমিটেড, মঙ্গলরতন প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের মতো ভুয়ো সংস্থাগুলির মালিক কি সত্যিই সত্যেন্দ্র জৈন নয়? এই সংস্থাগুলিতে স্ত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে জৈনের শেয়ার হোল্ডিং ছিল। এই মহিলারই পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেজরীবাল। পাশাপাশি কয়েকটি সংস্থায় নিজের বাবাকেও জড়িয়েছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন।

৬. এই অবৈধভাবে উপার্জন করা ১৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকা দিয়ে দিল্লি ও আশপাশের অবৈধ কলোনিগুলিতে, ওই ভুয়ো সংস্থাগুলি ব্যবহার করে ২০০ বিঘার বেশি জমি কিনেছিলেন সত্যেন্দ্র জৈন, এটা কি সত্যি? এই জমিগুলি কেনা হয়েছিল মাধ্যমে করালা, নিজামপুর, উধম, উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিল্লিতে।

৭. সত্যেন্দ্র জৈন এই অননুমোদিত জমিগুলিতে বিপুল পরিমাণ জমি কিনেছিলেন বলেই কি এই কলোনিগুলিকে আপ সরকার অনুমোদন দিয়েছে? আরও কোনও আপ নেতা কি এতে জড়িত ছিলেন?

৮. এটা কি সত্য়ি যে, দুর্নীতি বিরোধী আইনের অধীনে সত্যেন্দ্র জৈন এখন প্রধান অভিযুক্ত?

৯. এটা কি সত্যি যে, ১৬ কোটি ৩৯ লক্ষ টাকার অবৈধ উপার্জনের জন্য আয়কর বিভাগ সত্যেন্দ্র জৈনকে আয়কর দিতে বলেছিল?

১০. কেজরীবাল কি জেনেশুনে ‘দেশের গদ্দার’কে সুরক্ষা দিচ্ছেন? তিনি নিজেই বলেছিলেন যারা দুর্নীতিতে জড়িত, তারা ‘দেশের গদ্দার’। কতদিন তিনি দেশের এই গদ্দারকে সুরক্ষা দেবেন?



Source link