Rudraksha: কোন রাশির জন্য রুদ্রাক্ষ দারুণ উপকারী? জ্যোতিষ মতে গুণাগুণ জানুন

By | June 4, 2022


Spiritual Effects: একটি বীজের এক থেকে একুশটি পর্যন্ত মুখ থাকতে পারে। এগুলি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, সুতরাং কেবল মাত্র দোকান থেকে কিছু একটা কিনে নেওয়া এবং এটি শরীরে ধারন করা অনুচিত হবে।

রুদ্রাক্ষের (Rudraksha) মালা হাজার বছর ধরে হিন্দু সম্প্রদায় (Hindu), বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং বাউলদের মধ্যে এটা ব্যবহার করতে দেখা যায় বেশি। রুদ্রাক্ষ গাছ (Rudraksha Tree) দেখতে কিছুটা বকুল গাছের মত, পরিপক্ব গাছের শেকড়ে ঝাউ-শিমুল-বুদ্ধনারিকেল গাছের মত অধিমূল বা বাট্রেসিং দেখা যায়। গাছের ফল দেখতে গাঢ় নীল রঙের, যে কারণে এর ইংরাজি এক নাম ব্লুবেরি বিডস্‌ (Blueberry Beeds)। সাধারণত পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষই দেখতে পাওয়া যায় সবচেয়ে বেশি। তবে ১ থেকে শুরু করে ৩৮ মুখী পর্যন্ত রুদ্রাক্ষের সন্ধানও পাওয়া যায়। সহজলভ্য নয় বলে ১৪ থেকে ২১ মুখী রুদ্রাক্ষের মূল্যও বেশি। উভলিংগী ফুল হওয়া সত্ত্বেও এসব গাছে ফুল ধরতে ৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত লেগে যায়। একটি গাছে ফল ধরে দুয়েক হাজার যার প্রায় অর্ধেক ঝরে পড়ে অপরিপক্ব অবস্থায়। গাছের ওপরের অবশিষ্ট ফল বিশেষ কৌশলে সংগ্রহ করতে হয় তান্ত্রিক-দ্রব্য সংগ্রহকারীদের মাধ্যমে। চোখ ওঠা,হাপানিতে, ক্ষয় রোগে, মৃগী রোগে এ গাছের উপকারিতা আছে।

একটি বীজের এক থেকে একুশটি পর্যন্ত মুখ থাকতে পারে। এগুলি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, সুতরাং কেবল মাত্র দোকান থেকে কিছু একটা কিনে নেওয়া এবং এটি শরীরে ধারন করা অনুচিত হবে। ভুল প্রকারের রুদ্রাক্ষ ধারন করলে একজনের জীবনে বিশৃংখলা আসতে পারে। সাধারণত বীজগুলোকে মালার মত একসাথে গাঁথা হয়। পরম্পরা গত ভাবে তারা বিশ্বাস করেন বীজের সংখ্যা হবে ১০৮ যোগ ১। অতিরিক্ত বীজটি হলো বিন্দু। মালার সাথে সর্বদা একটি বিন্দু থাকতে হবে, অন্যথায় শক্তি চক্রাকারে পরিণত হয় এবং সংবেদনশীল লোকেরা চঞ্চল হয়ে উঠতে পারেন।

জীবনের বিভিন্ন স্তরের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে ও নিজেকে খুশি রাখতে অনেকেই রুদ্রাক্ষের মালা পরেন। সঠিক রুদ্রাক্ষ পরিধান করা ব্যক্তির জন্য মঙ্গলজনক এবং তার ব্যক্তিত্বের উপর সীমাহীন ইতিবাচক দিক নির্দেশিত হয়। আধ্য়াত্মিক শক্তির প্রভাব প্রত্য়ক্ষ করা যায় এই রুদ্রাক্ষের মাধ্যমে। এখানে রুদ্রাক্ষ পরার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা আলোচনা করা হল…

– রুদ্রাক্ষ একজন ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত ভুল কর্মের ফলাফল হ্রাস করে।

– দুর্ঘটনা এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা থেকে রক্ষা করে।

– যে কোনও গ্রহের খারাপ প্রভাব এবং কালো জাদু নিরাময় করে।

– রুদ্রাক্ষ পরলে মানুষের রক্তচাপ ভারসাম্য বজায় থাকে।

– দৈনন্দিন জীবনের চাপ কমায় এবং মস্তিষ্ককে শান্তিতে রাখে।

– রুদ্রাক্ষ আতঙ্ক ও বিষণ্ণতাও কমায়।

– শরীরের শক্তি বৃদ্ধি এবং বজায় রাখার জন্য খুবই উপকারী। যারা বেশি ভ্রমণ করেন তাদের অবশ্যই রুদ্রাক্ষ পরতে হবে।

– ঘুমানোর সময় আরও কার্যকর হয়। ব্যক্তিকে মানসিক শান্তি ও চাপ থেকে মুক্তি দেয় এই ছোট ফল।

– নেতিবাচক শক্তির বিরুদ্ধে একটি ঢাল হিসেবে রুদ্রাক্ষকে ব্যবহার করা হয়।

– চোদ্দো বছরের কমবয়সী শিশুরা ছয়-মুখী রুদ্রাক্ষ পরতে পারে। এতে তাদের শান্ত হতে ও অধিক মনোযোগী হতে সাহায্য করবে।



Source link