Health Tips: শরীরে কিছু হলেই মুঠো মুঠো মুখে দিচ্ছেন প্য়ারাসিটামল? সাবধান, রয়েছে ভয়ানক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!

By | May 17, 2022


Serious Side Effects: ইংল্যান্ডের ন্যাশানল হেলথ সার্ভিস বলছে, কিডনি বা লিভারের ক্ষতির জন্য প্যারাসিটমল অনেকটা দায়ী। চরম পর্যায়ে চলে গেলে তা জীবনের অনেকটা ক্ষতিও হতে পারে।

সব কিছুরই ভাল-মন্দের দিক রয়েছে। তা ওষুধের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অসুস্থ ব্যক্তিকে সুস্থ করে তোলার জন্যই তৈরি হয়েছে ওষুধ। কিন্তু সেগুলির অত্যাধিক ব্যবহারের গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। সাধারণভাবে ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধ হিসেবে প্যারাসিটামলের প্রভাব এখন আর এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। অল্প জ্বর এলে বা হাত-পা ব্যথা হলে, মাথা ধরে যাওয়ার মত উপসর্গ দেখা দিলেই মুড়ি-মুড়কির মত মুখে ঢুকে যাচ্ছে প্যারাসিটামল। এদিকে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখতে অত্যাধিক কোনও ওষুধের ব্যবহার না করাই শ্রেয়। তাহলে আমাদের জন্য প্যারাসিটামল কতটা নিরাপদ? প্যারাসিটামল হল ব্যথা নিরাময়ের জন্য একটি সহজ, সস্তা ও সাধারণ প্রতিকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণ প্রস্তাবিত ডোজ হল এক বা দুটি ৫০০মিলিগ্রাম প্যারাসিটামল গ্রহণ করা। দিন চার বার পর্যন্ত তা নেওয়া যেতে পারে। ইংল্যান্ডের ন্যাশানল হেলথ সার্ভিস বলছে, কিডনি বা লিভারের ক্ষতির জন্য প্যারাসিটমল অনেকটা দায়ী। চরম পর্যায়ে চলে গেলে তা জীবনের অনেকটা ক্ষতিও হতে পারে। মেডিসিনের প্রভাবে লিভারের ক্ষতি হওয়া একটি গুরুতর ক্লিনিকাল সমস্যা। তাই ওষুধের মাত্রা বুঝে বুদ্ধিমানের মত ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

সায়েন্টিফিক রিপোর্টস জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গিয়েছে, মানব ও ইঁদুরের লিভারের কোষে প্যারাসিটামলের প্রভাব মূল্যায়ন করা গিয়েছে। গবেষণা থেকে এটা বলা হয়েছে যে ব্যাথার উপশম যকৃতের উরর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তার কারণ হল এটি অঙ্গ সংলগ্ন কোষগুলির মধ্যে কাঠামোগত সংযোগের ক্ষতি করে। লিভারের টিস্যুর গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোষগুলি সঠিকভাবে কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তারপর সেগুলির মৃত্যু ঘচে। এই ধরনের ক্ষতি হেপাটাইটিস, ক্যান্সার এবং সিরোসিসের মত রোগের বাসা বাধতে সাহায্য করে।

বেশ কয়েকবছর ধরে প্যারাসিটামলে অতিরিক্ত ব্যবহার বেড়ে গিয়েছে দ্বিগুণ। আর তাতেই শুরু হয়েছে উদ্বেগের কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ওষুধের খুব কমই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে এই ওষুধের সঠিক ডোজ মেনে গ্রহণ করলে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক কম হতে পারে। তবুও মেডিসিন গ্রহণ করার আগে সতর্কতা মেনে চলা উচিত। কোনও কিছু ওশুধ খাওয়ার আগে একজন ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।



Source link