হোয়াটস্অ্যাপ গ্রুপে মেসেজ করেই পৌঁছে যেত যৌনকর্মী! পুলিশি তদন্তে উঠে এল মারাত্মক তথ্য

By | June 1, 2022


ছবি- প্রতীকী চিত্র

Police Case: নয়ডা ৫৮ সেক্টর পুলিশ এবং এএইচটিইউ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গোটা চক্রটির ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল এই চক্রটি।

নয়ডা: প্রযুক্তির অগ্রগতিকে হাতিয়ার করেই আমরা এগিয়ে চলছি। আমাদের জীবনে চলাফেরা থেকে শুরু করে কাজকর্ম, সব কিছুর সঙ্গেই ওতপ্রতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে প্রযুক্তি। এবার সেই প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে অনলাইনে চলা দেহ ব্যবসা চক্রের পর্দাফাঁস করল নয়ডা পুলিশ এবং অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট। মঙ্গলবার গোটা চক্রকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই চক্রের মূল অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের কয়েক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সূত্র মারফত তাদের কাছে এই মধুচক্রের ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে খবর এসেছিল। সূত্র মারফত পুলিশ জানতে পারে, শহরে এই ব্যবসা চলছে।

নয়ডা ৫৮ সেক্টর পুলিশ এবং এএইচটিইউ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে গোটা চক্রটির ২ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিল এই চক্রটি। আটক হওয়া দুই ব্যক্তিকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশকে জেরায় তারা জানিয়েছে, জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলে ওয়েবসাইট তৈরি করে তারা গ্রাহকদের সঙ্গে যোগযোগ করত। সেখান থেকে তাদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ দিতে বলা হত। সেই গ্রুপ মারফত তাদের বলে দেওয়া ঠিকানায় যৌনকর্মী পাঠিয়ে দেওয়া হত।

নয়ডার অ্যাডিশনাল ডেপুটি পুলিশ কমিশনার অব পুলিস রণবিজয় সিং এই প্রসঙ্গে বলেন, “এএইচটিইউ এবং সেক্টর ৫৮ থানার পুলিশ অনলাইন সেক্স র‌্যাকেটের ২ মূল মাথাকে গ্রেফতার করেছে। অনলাইনের মাধ্যমে তারা গ্রাহক জোগাড় করত এবং হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে যৌনকর্মী লেনদেন চলত। টাকা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে রফা হলেই নির্দিষ্ট ঠিকানায় মহিলা যৌনকর্মীদের পাঠিয়ে দেওয়া হত।” পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে। নয়ডা পুলিশ সূত্রে খবর, বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে যে এই ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না।



Source link