মেলা থেকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে নাবালিকাকে গণধর্ষণ! ফের নৃশংস ঘটনার সাক্ষী মালদহ

By | April 2, 2022


Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 2, 2022 6:01 pm|    Updated: April 2, 2022 6:09 pm

বাবুল হক, মালদহ: গভীর রাতে মেলা থেকে ফেরার পথে গণধর্ষণের (Gangrape) শিকার নাবালিকা। ১৩ বছরের মেয়েকে জোর করে মেলা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের ঘটনা সামনে এল। পুলিশের তৎপরতায় ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক তিনজন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের (Maldah) হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের শালদহ এলাকায়। এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকাজুড়ে।

স্থানীয় ও নাবালিকা পরিবার সূত্রে খবর, হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার চণ্ডীপুরের পাশের গ্রাম উত্তর শালদহ এলাকায় চলছিল উরুষের মেলা। সেখানেই ওই নাবালিকা পরিবারের সঙ্গে মেলা দেখতে গিয়েছিল। রাত বারোটা নাগাদ প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ওই নাবালিকা মেলার পাশে ফাঁকা মাঠে গেলে সেখানেই কয়েকজন যুবক ওই মেয়েটির মুখে চাপা দিয়ে তাকে সেখান থেকে নিয়ে মোটর সাইকেলে করে পালিয়ে যায়। কয়েক কিলোমিটার দূরে চণ্ডীপুর হাই স্কুলের পিছনে একটি পরিত্যক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ছাদে নিয়ে গিয়ে লাগাতার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। নাবালিকা মেয়েটি ধর্ষণের ফলে সেখানে জ্ঞান হারালে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

[আরও পড়ুন: Qatar World Cup 2022: কবে শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ? কখন শুরু খেলা? পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা ফিফার]

খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা অচৈতন্য অবস্থায় ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে। ওই নাবালিকা এলাকার একটি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গিয়েছে। সে ভরতি স্থানীয় এক হাসপাতালে। ঘটনার পরই স্থানীয় পুলিশের তৎপরতায় ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকি ৩ যুবক পলাতক। এদিন হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের করেছেন ধর্ষিতা নাবালিকার মা। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকা জুড়ে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে এলাকায় কড়া তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

[আরও পড়ুন: ‘আপনাদের ঘরের মেয়েকে সমর্থন করুন’, ‘বোন’ অগ্নিমিত্রার হয়ে ভোট চাইলেন মিঠুন চক্রবর্তী]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে





Source link