নির্বাচনে মোদীর অপব্যবহার এবং ইভিএম-এর ত্রুটি খুঁজে বের করা কংগ্রেসের কাজ: নরেন্দ্র মোদী

By | December 2, 2022


নয়াদিল্লি,২ ডিসেম্বর (হি.স.) : শুক্রবার গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ের ভোট প্রচারে বিজেপি প্রার্থীদের পক্ষে চারটি জেলায় নির্বাচনী সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রচারে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, মোদীকে গালাগালি করা এবং ইভিএমে ত্রুটি খুঁজে পাওয়া কংগ্রেসের কাজ। তিনি সাফ জানিয়ে দেন গুজরাটে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করা হচ্ছে।

এদিন নরেন্দ্র মোদী পাটান, আনন্দের সোজিত্রা এবং গুজরাটের আহমেদাবাদে নির্বাচনী সভা করেছেন। পাটানে কংগ্রেসকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, তাদের দুটি কাজ আছে, ইভিএমে ত্রুটি খুঁজে পাওয়া এবং মোদীকে গালি দেওয়া। সমাজে মহিলাদের ভূমিকার ক্ষমতায়নের জন্য বিজেপি সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মোদী বলেন, বিজেপি সরকার বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও থেকে সেনাবাহিনীতে কন্যাদের নিয়োগ পর্যন্ত বেশ কিছু নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোদী আরও বলেন, কংগ্রেস সরকারে পাটন-ভিলডি লাইন এবং মোদাসা কাপদভঞ্জ রেল লাইনের জন্য আন্দোলন হয়েছিল। আন্দোলন নিয়ে কংগ্রেসের মানুষের কোনও চিন্তাই ছিল না। আজ যোধপুরের সঙ্গে পাটানকে যুক্ত করেছে বিজেপি।
কংগ্রেসের নীতি বিভক্ত করুন
আনন্দ জেলার সোজিত্রায় বক্তৃতায় মোদী বলেন, অতীতে কংগ্রেসের বিভাজন নীতির কারণে গুজরাট দুর্বল হয়ে পড়েছিল। উন্নয়নের অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে ছিল রাজ্য। রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলার প্রতিবন্ধক ছিল এমন লোকেরা এর সুযোগ নিয়েছে। খম্ভাটে ঘন ঘন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে আলোচনা করে তিনি প্রশ্ন করেছিলেন আনন্দ ও খম্ভাত এর থেকে রক্ষা পেয়েছে কিনা। জনগণের ঐক্য ভেঙে গেলেও গত ২৫ বছর ধরে ঐক্যের কারণে পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে বিজেপি।
সর্দার প্যাটেল এক ভোটে পরাজিত হন
নির্বাচনে প্রতিটি ভোটের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সর্দার প্যাটেল আহমেদাবাদ পৌরসভার প্রধান হয়েছিলেন। কিন্তু একবার তিনি এক ভোটে নির্বাচনে হেরেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, কংগ্রেস পার্টি কখনই সর্দার প্যাটেলকে নিজের বলে মেনে নেয়নি। সর্দার প্যাটেলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আপত্তি ছিল। দেশের ঐক্য নিয়েও আপত্তি ছিল, কারণ তার রাজনীতি ছিল ডিভাইড অ্যান্ড রুল। এদি‍ন পাভাগড় মন্দিরের উন্নয়ন সহ অন্যান্য উন্নয়ন কাজের কথাও উল্লেখ করেন মোদী।



Source link