ত্রিপুরায় ফের মানিক ‘সরকার’,কী বলছে বামেরা?

By | May 14, 2022


ছবি – বিপ্লব বিদায়ে কী বলছে বামেরা?

Tripura CM: ‘শেষ বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে বিরোধীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থা থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বদলের এই কৌশলী পদক্ষেপ’। বিবৃতি জারি করে এই ভাষাতেই তোপ দাগল বামেরা।

আগরতলা: ২০১৮ সালের ৯ মার্চ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর (Tripura CM) চেয়ারে বসেছিলেন বিপ্লব দেব। মেয়াদ শেষের জন্য এখনও বাকি ছিল প্রায় ১০ মাসের বেশি সময়। কিন্তু তার আগেই এদিন আচমকা পদত্যাগ করে দেন তিনি। যা নিয়ে ত্রিপুরা তো বটেই, গোটা দেশেই চলে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতর। এদিকে আগামী বছরেই রয়েছে ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু, এই সঙ্কটকালে বিপ্লবের জায়গায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে বাড়তে থাকে জল্পনা। অবশেষে শনিবারই সংসদীয় পরিষদের বৈঠকে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর হিসাবে মানিক সাহার নাম প্রস্তাব করেন বিপ্লব। এবার তা নিয়েই প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা গেল সিপিএমকে(CPIM)। 

প্রসঙ্গত, বাংলার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ত্রিপুরাতেও (Tripura) ক্ষমতায় ছিল বামেরা। মসনদে ছিলেন দাপুটে বাম নেতা মানিক সরকার (Manik Sarkar)।  কিন্তু, বর্তমানে বামেদের হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে বিজেপি। এমতাবস্থায় এবার বিপ্লব বিদায়ের পর ত্রিপুরার শাসন ভার ন্যস্ত হয়েছে আর এক মানিকের হাতে। কিন্তু, বিপ্লবের আচমকা ইস্তফার নিয়ে সে রাজ্যের বামেদের দাবি, ‘একটি নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ যখন শেষ হওয়ার মুখে, মাত্র দশ মাস বাকি, সে সময়ে সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বদলের সিদ্ধান্ত দলের এবং সরকারের চরম দুর্বলতার নির্দশন’। এ বিষয়ে ত্রিপুরা সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর তরফে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়েছে। 

এই খবরটিও পড়ুন



প্রসঙ্গত, গত বছরই একই ভাবে বিধানসভা ভোটের মাত্র কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী বদল দেখতে পাওয়া গিয়েছিল পঞ্জাবেও। যদিও সেখানে সে সময় ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস। এবার যেন কার্যত তারই প্রতিচ্ছবি দেখতে পাওয়া গেল ত্রিপুরায়। এ প্রসঙ্গে ত্রিপুরার মূল বিরোধী সিপিএমের দাবি, “বিগত বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন থেকে শাসকদল অভাবনীয় সন্ত্রাস শুরু করেছিল। পর্যায়ক্রমে তা ফ্যাসিস্টসুলভ চেহারা গ্রহণ করে। ভারতবর্ষের সংবিধান ত্রিপুরায় অকার্যকর। জনগণের স্বাধীন ভোটের অধিকার হরন করা হয়েছে। যে কোনও নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে।  বিরোধীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থা থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী বদলের এই কৌশলী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে জনগণের ক্ষোভ-বিক্ষোভ ও উষ্মাকে প্রতিহত করা যাবে না ”। যদিও সিপিএমের এই বিবৃতি নিয়ে এখনও কোনও পাল্টা বিবৃতি দিতে দেখা যায়নি পদ্ম শিবিরকে।



Source link